কবিতা: গর্জ উইন্ড

দুটি খাড়া পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে পথ।/ফেলে আসা পাথরের উপত্যকা বেয়ে/শুকনো ঝাপটা আসছে বাতাসের,/বাতাস না বলে তাকে ল্যাসো বললে ঠিক হয়।
কবিতা: প্রেক্ষিত

রোজ রাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া শিরাগুলো/ পরদিনই জুড়ে গিয়ে
বয়ে নিয়ে চলে মোনোটনি… /অনতিক্রম্য অজুহাতে শীর্ষ ছুঁয়ে আসা হাওয়াদের… রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতাগুচ্ছ

সামনে জানলা-আলোমুখে/ নগ্ন, খুলে আছ/ অসম্ভব/ দীর্ঘ/ ঘন চুল/ পাখি উড়ে বসেছে যেখানে/ কোমরে জরুল… আয়নার দিকে তাকিয়ে কখনও আত্মমুখ কখনও বা প্রিয় নারীকেই দেখছেন কবি, আত্মমগ্নতায়। কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতা: গ্রীষ্মের গান

বাতাস যেখানে ছিল চাতকের মতো গাঢ়/দুপুর যেখানে না মেলা অঙ্কের মতো স্থির,/সে সব ছেড়ে আমি চলে যাব বরফবিক্রেতার কাছে/প্রিয় কাঠগুঁড়ো, চটের বস্তার শ্বাস/রাতের কষ্ট থেকে তোমাকে নিয়ে যাব/আইসক্রিম গাড়ির ভ্যানিলা আড়ালে।
কবিতা: বিদায় ও অন্যান্য

ফুটপাতে রাখা উনুনের মতো একটু একটু করে নিভে আসছে ধিকিধিকি বিকেলের শেষটুকু। একাকিত্বের রং, বিষাদের রং, শেষবেলাকার মরা আলোয় মুছে নিয়ে কবিতা সাজালেন সোহম।
কবিতা: স্মৃতিধার্য নয়

অধিকন্তু নীল/ গোপনে আমাকে ডাকে/ আর দেখে যাই শুধু/ বিষাদমিছিল… প্রেম, ভালোবাসা আর স্মৃতিচারণের আখরমালা পার্থ মজুমদারের কলমে।
কবিতা: মার্গারেট রাধিকা গোমেজ

বাইশ বছর ধরে শুয়ে আছ ঠান্ডা, কালো পাথরের পাশে,ওবেলিস্ক জড়িয়ে জড়িয়ে বনজুঁই উঠেছে উপরেতারপর সব শূন্য দেখে ফের শুঁড় নামিয়েছে।তোমার জন্মসাল মুছে গেছে, মৃত্যুর তারিখ এখনও যাচ্ছে পড়াবাইশ বছর শিরিষ গাছের ছায়া, ফুলের রঙিন চুলউড়ে এসে পড়েছে এখানে রাধিকা গোমেজ!তোমাদের ধর্মে কোন পুনর্জন্ম নেইতাই তোমাকে ছোঁয়ার জন্য এপিটাফে ক্লান্ত ঠোঁট রাখি
কবিতা: চিল

বন্দরের কাটাকুটি বাঁশি– কোন ছায়া অধিবাস/সপাটে গিলেছে চিহ্ন – কোথায় পৌঁছল আয়নারা?–