থাবা: কবিতা

এখন বাউল একা দু-কলি পুরোনো গায়।/চন্দন-রংয়ের সব পাখিও জেনেছে/নতুনের শিসে আজ নিষেধাজ্ঞা আছে!
দশমহাবিদ্যা সিরিজ়

আমাদের বিপরীত মুদ্রাকালে তোমার উন্মাদ এলোকেশী শীৎকার / নখ বসে যাওয়া রক্তপাতে উল্লাসের স্রোত… শক্তির দশ রূপ দশমহাবিদ্যা। তার মধ্যে ভয়ালতম দুই রূপের মহিমায় সমকালকে ধরলেন কুবলয় বসু।
কবিতা: সাপ

আমরা নগ্ন হয়ে ঘুরে ফিরে দেখাব আমাদের সব বড় বড় হাঁ, যুবতী ফার্নে ভরে যাওয়া সব খাদ বা পরিসরে বাড়তে থাকা সব প্রকট জ্বালামুখ।
কবিতা: হাসি-ঠাট্টার চন্দ্ররাগ

ছাত্রটি তার চাঁদের পাগল / রাত্রিবেলায় স্নানের সঙ্গে স্নান / জলের বাতাস তাকে কুহু ডাকে / আয় মেঘে ছুটে আয়…
তরুণ কবি অভিরূপ মুখোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতা: কবি

প্রতিবিম্বের হিরেমোতি / ঢাকা মলাটের মাস্তুলে / দিন সন্তানসন্ততি / জল পাষাণের ক্ষত তুলে… নবীন কবির শ্রদ্ধার্ঘ্য যুগোত্তীর্ণ কবিকে। সুমন ঘোষের কবিতা আজ বাংলালাইভে।
কবিতা: স্পর্শাতীত

আমাদের অন্ধকার বিস্মৃতির তল থেকে/খানিক ইশারা আসে, বুদবুদ আসে।
কবিতা: শেষ মহীরুহ

‘তাদের জন্য ফের কবিতাকে ভরো গাছে গাছে! এ পৃথিবী কবিতার, সবুজের…’ অগ্রজ কবির মতো গাছের কাছে আশ্রয় নিতে চান এই প্রজন্মের কবি। লিখছেন রূপক বর্ধন রায়।
কবিতা: অনুবাদ

জগতে শুধু উজ্জ্বল তিনদিক ঘেরা কিউবিকগুলো পড়ে আছে। পেপার ওয়েস্ট উপছে ফুটে আছে ব্যবহৃত টিস্যুর ফুল।