প্রবাসীর নকশা: পর্ব ৮

পাঠক নিশ্চয়ই আন্দাজ করছেন, আমি উল্কিপ্রেমী নই। প্রকৃতিদত্ত সুন্দর মানবদেহে এই আঁকিবুকির মধ্যে আমি চেষ্টা করেও কোনও রকম সৌন্দর্য খুঁজে পাইনা। শুধু আজ নয়, কোনওদিনই পাইনি।
জীবন থেকে জীবনে: পর্ব ২১

আমার রিক্রুটমেন্টের মাসতিনেক আগে জনা চারেক আনকোরা নতুন সাব এডিটর নিয়োগ করেছিলেন অভীকবাবু। তখনকার স্টেটসম্যানের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য এক নতুন ব্রিগেড। শংকরলাল ভট্টাচার্যের কলাম।
ওজন বাড়ল পুলিশের, চোর দিল সদুপদেশ: মজার মানুষ ‘শিব্রাম’

সত্যিই একদিন চোর ঢুকল সে ঘরে, ধূপকাঠি বিক্রেতার ভেক ধরে। শিবরাম তখন বাসায় ছিলেন না। ফিরে এসে দেখেন সারা ঘর লণ্ডভণ্ড। বোঝা যায় বহু খোঁজাখুঁজির পরেও হতাশ হয়ে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে বেচারা চোরকে। কিন্তু ফেরার আগে ঘরের মালিকের জন্য সহৃদয় চোর বাবাজি রেখে গেছেন একটা দশ টাকার নোট, একটা ধূপকাঠির প্যাকেট আর একটা ছোট্ট চিরকুট।
সার্কাস, ট্রেটর ও দ্রোহকাল: পর্ব ৯

তাঁর বাড়িতে প্রায়ান্ধকার ঘরে একটা টেবিলের ধারে বসে থাকেন সম্পাদক। তাঁকে সর্বশক্তিমান লাগে। তিনি নিজে লেখক হলে তো কথাই নেই। আমার কাছ থেকে জানতে চান টুকটাক, কবে থেকে লিখি, কার লেখা ভাল লাগে, এখন কী লিখছি। ক্রমে ক্রমে এক দুজন এসে পড়েন। বর্ষার বিকেলে মরা আলো নেতিয়ে যায়। যাঁরা আসেন, তাঁরা কেউ কেউ আলাপ করেন যেচে, স্নেহমিশ্রিত উপদেশ দেন। সংকোচের সঙ্গে জানাই, অন্য কাগজে অমুক লেখা লিখেছি। তাঁরা পড়বেন বলে উৎসাহ দেখান।
… শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের কলম
ক্যাম্পবস্তির বালকবেলা: পর্ব ১৫

ইতিমধ্যে বস্তির ঘর ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে শয়ে শয়ে মানুষ৷ তাদেরও দাবি, গুদাম খোলো৷ দেখব চালের বস্তা আছে কি না৷ চাল না থাকলে দরজা খুলতে ভয় কীসের? মানুষের চিৎকার ক্রমে গর্জন হয়ে ওঠে৷ খবর চলে যায় মণীশের কাছে৷ চ্যালাচামুণ্ডা নিয়ে মণীশ আসে৷ ভিড় দেখে আর ভিড়ের গর্জন শুনে কাছে আসার সাহস পায়নি৷ পুলিশ আসে৷ বিশাল ভ্যানে লোহালাগানো বুট আর বন্দুক আর লাঠির বাহিনী নিয়ে৷ জনতাকে গুদাম থেকে সরে যেতে বলে৷ জনতা পুলিশের হুকুম শুনতে নারাজ, তারা চালের গন্ধ পেয়েছে৷ ভাতের গন্ধ পেয়েছে৷
প্রবাসীর নকশা: পর্ব ৭

ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দেশগুলির আর্থসামাজিক অবস্থা, ভূগোল বা ইতিহাস বিষয়ে বিশেষ ধারণা ছিল না সে সময়ে। শুধু জানতাম দুরন্ত ক্রিকেট খেলে। গ্যারি সোবার্স, অ্যান্ডি রবার্টস প্রমুখ কিংবদন্তিদের খেলা চাক্ষুষ দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল ইডেন উদ্যানে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বলতে বুঝতাম রোহন কানহাই আর আলভিন কালীচরণ। পরবর্তীকালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী বিদ্যাধর নাইপলের নামও শুনিনি তখনও।
সিদ্ধার্থ দে-র স্মৃতিযাপন। পর্ব ৭।
প্রিয়বন্ধুর অনুরোধে লিখলেন ‘কর্ণকুন্তীসংবাদ’

প্রবাসে নির্বান্ধব শুষ্ক ও অবসন্ন জীবনের মধ্যে যখন নিরবচ্ছিন্ন একাকীত্ব যখন জগদীশচন্দ্রকে গ্রাস করত, তখন আলো বলতে রবি’র আলোই তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করে তুলত। তার মধ্যে দিয়েই আশার আলোর সন্ধান পেতেন। সেই বন্ধুত্ব নিয়ে লিখলেন পীতম সেনগুপ্ত।
জীবন থেকে জীবনে: পর্ব ২০

চাকরি যখন হয়েছে তখন তিনটি করণীয় কাজ এখন। প্রথম হল আনন্দবাজার থেকে বেরিয়ে কোনও একখান থেকে ফোনে মা-কে খবরটা দেওয়া। শংকরলাল ভট্টাচার্যের কলাম। পর্ব ২০।