দু’টি কবিতা

নিশি নিশি-তেডেকে গেছে দিনে—আমি যাব লেনা-দেনা কিছু কিছুবাকি রয়ে গেলকটা শস্তাকথায় তবে আবারও বিলিয়ে নিজেকে আমি যাব যে নিশীথের নিশিডেকে গেছে দিনেপায়েপায়ে আমিতারই পিছু নেব শান্ত লুব্ধক আকাশের নীচে মেঘআর তারও নীচে আমি ভেসে আছি—উতলা কুহু-রাতেতার কাজল উচ্ছ্বাসেশান্ত লুব্ধক যেন
কবিতার মুহূর্তে

ধীর-কষ্ট গা সওয়া হলে; অচেনা-অক্ষরে বাধা চেনা-শব্দ জড়িয়ে আসে ঘুম; শরীর নিঙড়ে লেখা তার কাজ সারে, একান্তে।
কবিতা: নির্ভয়া

বাড়িতে হাঁসের বাচ্চা তোলা হ’ত। তখন সবার সে কী আনন্দ। তুরতুর করে রংবেরঙের তুলোর বলগুলো ছুটেছুটে বেড়াতো উঠোনময়।
দুটি কবিতা

তুমি জানো/ অতিরিক্ত খাদ আমাতে ছিল না কখনও/ অনন্ত নদীর জলে কে দিল মরনঝাঁপ এ যাত্রাতে… সঞ্জয় চক্রবর্তীর কবিতা
কবিতা: দোল

কুসুমিত চতুর্দিক। প্লাবিত চতুর্দিক। উৎসারিত চতুর্দিক। নেশা লেগেছে ঐ… দূর-রঙের বাড়িটিতেও। দাঁড়িয়ে আছে মধ্যাহ্ন। একা। … ঝিলম ত্রিবেদীর রঙিন আখর।
দু’টি কবিতা

পাতার একদিক অন্ধকার করে ফেলে/ তারপর তাদের ভাবনার সুগন্ধে/ গর্ভিনী হয়ে ওঠে/ জুঁই গন্ধরাজ কামিনী…. বাপ্পাদিত্য রায় বিশ্বাসের কবিতা।
রংয়ের কবিতাগুচ্ছ

রং লেগেছে জলে স্থলে ফুলে ফলে। দোলপূর্ণিমা এসে গিয়েছে। কৃষ্ণ খুঁজে চলেছেন তাঁর রাধিকাকে, শিমুলে পলাশে। রংয়ের আখর লিখে দিলেন অভিরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
দুটি কবিতা

সময় বলে কিছু হয় না। আসলে একটা অদৃশ্য নদী কিছুটা পথ পেরিয়ে পেছনে ফিরে দেখে/ কচুরিপানার ডালে বসে অন্যমনস্ক তিনটে কাক। / বা সাতটা আটটা দশটা। … অনিঃশেষ অনন্ত কালক্ষেপের অক্ষরমালা অভিরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলমে।