কবিতা: একা

নতুন আসে। পুরনোকে জায়গা ছেড়ে দিতে হয়। ক্রমে ক্রমে একা হয়ে যেতে হয় তাকে। একাকিত্ব আর ভালবাসার সেই চিরন্তন অনুভূতি অনিমেষ বৈশ্যর কলমে।
কবিতা:পদাবলি

হিমঋতুর রহস্যে প্রেমের আবেশকে কবিতায় ধরতে চেয়েছেন রেহান কৌশিক। তৈরি করেন আচ্ছন্ন-আলোর বুকে এক ব্যক্তিগত ভাষাবাড়ি।
কবিতাগুচ্ছ: পঞ্চবাণ

একটা ঈর্ষা/মানুষকে এই গলি থেকে/বড়ো জোর/ওই বড়ো রাস্তা পর্য্যন্ত/টেনে নিয়ে যেতে পারে
দু'টি কবিতা

কুয়োর নিচে কঠিন ব্যাধি/ প্রাচীন আধুলিতে/ দোল করেছ ছ'খানা হাড়/ অচলাচল হাঁড়ি
বিমূর্ততার সার্থক প্রয়োগ সুমন ঘোষের কবিকৃতিতে।
কবিতা: ঘূর্ণি

যদি উন্মুক্ত হও, হালকা ফাঁক থেকে ম ম বেরিয়ে আসে জান্তব রশ্মি… এক দুরন্ত ঘূর্ণির সচলতার সমকালীন আখ্যান অমৃতা ভট্টাচার্যের কলমে।
কবিতা: মাধুকরী

কাব্যের উঠোনে অনায়াস পদচারণা, কাব্যের রাঙাপথে ঘুরে ঘুরে মাধুকরীবৃত্তি। ফুল থেকে ফুলে ঘুরে ঘুরে কখনও হাওয়ার শব্দ শোনা, কখনও রোদে জল মাপা। লিখছেন অভিরূপ মুখোপাধ্যায়।
কবিতা: যাপনকথা

এক অনঙ্গ প্রেমের নিরুচ্চার ঘোষণা অন্তরা দাঁ-এর কবিতায়। একদিকে মিলন, আর একদিকে বিচ্ছেদ– দুইয়ের নিরন্তর দোলায় ফিরে ফিরে আসে কাব্য।
কবিতা: অলোকরঞ্জনের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

“ততদিনে সূর্য আরও বয়স্ক শীতল হয় যদি? যদি আরও পাড় ভাঙে? যদি আরও আরও বিমানবাহিনী ফেলে যায় বোমা কলোনিশিবিরে?” – সদ্যপ্রয়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন তাঁর পুত্রসম এ কালের কবি হিন্দোল ভট্টাচার্য।