কবিতা: জন্ম

জন্ম হচ্ছে; মায়ের শ্রীমুখ তীক্ষ্ণ ব্যথায় কাতরে উঠল। / একটা নাড়ি ছিন্ন হতেই স্বতন্ত্র হই রক্তপুতুল।… মনুষ্যজন্মের ব্যথাতুর আত্মতৃপ্তির সঙ্গে কবি মিলিয়েছেন মাতৃদেহ অবলম্বন করে বেড়ে ওঠার তৃপ্তিকে। তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায়ের কবিতা।
ওয়ল্ট হুইটম্যানের কবিতার অনুবাদ: ২

উনবিংশ শতকের মার্কিন কবি, চিন্তক ও সাংবাদিক ছিলেন ওয়ল্ট হুইটম্যান। মুক্তচ্ছন্দের পদ্য বা ফ্রি ভার্সের জনক এই কবির কিছু কবিতার অনুবাদ রইল এই পর্বে।
কবিতা: ফিরব না তো মোটে

এই ভাবি যে সামনে তার দোর / আবার এসে দাঁড়ায় সে শহর!… কলকাতার বুকে কুয়াশা জমে। উড়ে যেতে যেতে নীচের দিকে তাকিয়ে নিঃশ্বাস ফেলে নাগরিক। সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতা: অসুখ ও অন্ধকার

অথচ দুঃখে এসে শান্ত হয়ে দাঁড়াবার উপায় নেই/দুদণ্ড দাওয়ায় বসে গল্প করা, দুঃখের গেরস্থালি/মানিয়ে গুছিয়ে নিয়ে থেকে যাব, তেমন ঘটে না
কবিতা: এসবের নাম দিতে নেই

“ভেতরে ভেতরে হাঁটা দেয় একটা নিখুঁত পাকদণ্ডী। সে কোথায় পৌঁছতে চায় কে জানে…” সেই কবে থেকে এ হাঁটার শুরুয়াত, কেউ খোঁজ রাখেনি। হাঁটতে হাঁটতে বিকেল হয়ে আসার মায়াবি অনুভব ছুঁয়ে গেল কবিকে। শ্রাবণী খাঁ-এর কবিতা।
কবিতা: প্রেম! আনমনা

সেই যে আমাদের ভালোবাসাবাসি কিসসা; /আমাদের হাত ধরাধরির মুহূর্তগুলো… এই বিশ্বব্যাপী অসুখ আর অপ্রেমের ভিড়ে কিঞ্চিৎ সুখ খুঁজে নিতে প্রেমে অবগাহন করলেন আল মামুন শেখ।
কবিতা: বাৎসরিক

ভুলে থাকা স্মৃতির সাময়িক ঝাপট/ ফিকে হয়ে আসে… শোক এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। তবু শোকাবহ চারপাশ আমরা কাজ করে চলেছি, নির্বাহ করে চলেছি দৈনন্দিন জীবনযাত্রা। বছর ঘুরলে শোক ফিরে ফিরে আসে আর মনে করিয়ে দেয় কিছু সন মাস তারিখ। লিখছেন অন্তরা দাঁ।
কবিতা: ম্যানিফেস্টো

হাজিরার খাতা নিয়ে ফ্লুরোসেন্ট রোদ/ আড়ালে ডেকেছে তাকে… সমকালের কথা, সমকালীনতার আলেখ্য রচনা করলেন বেবী সাউ।