কবিতা: দেখা

অপরিচিত কিছু অব্যয়… / ধ্বনিময় সেতারের তার কেটে যাওয়া শব্দ… / ভীষণ ফাঁকা একটা অন্ধগলির ভিতরে…
দীর্ঘ জীবনপথে একাকিত্বের একান্ত অনুভব ফিরে দখলেন কোরক মিশ্র।
দু’টি কবিতা

আমরা সবাই / চিরকাল পথ খুঁজে গেছি / আমরা কখনও কেউ পথ হ’তে পারিনি!… পথিক হতে চেয়ে জীবন গিয়েছে চলে কুড়ি কুড়ি বছরের পার। কিন্তু পথের হদিশ কি মিলেছে? মৌলীনাথ গোস্বামীর কবিতা।
কবিতা: মুগ্ধ জবা

চুপ করে বসে দেখে, উড়ে যাচ্ছে তার শিরদাঁড়া। পাখি হয়ে যাচ্ছে আকাশে। পাখনা গজালো কোন ফুলে? জবার হলুদ রং এসে লাগল তার দাড়িতে। … ঝিলম ত্রিবেদীর কবিতা।
কবিতা: ছেড়ে আসা সে শহর

আমার মধ্যবিত্ততা কোথাও তখনো তুলসীতলার / প্রদীপ হয়ে ছিল…মদের গন্ধ এলে ভাবতাম / জাত গেল বুঝি!… একদা এ শহরকে ভালবেসে থেকে যাওয়া মানুষও একদিন তার পর হয়ে যায়। ছেড়ে আসা গলিপথে খুঁজে ফেরে চেনা চেনা মুখ। সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা।
কবিতা: অন্ধকারকে থামতে বলো

অন্ধকার হ্রদকে বলো / মিছিমিছি-ই সে নিরঙ্কুশ শূন্যতার কথা বলছে… এক আঁধার সময়ে আঁধারের আখ্যান শোনালেন সৌগত চট্টোপাধ্যায়।
দু’টি কবিতা

রঙিন বাতিঘর শুঁয়োপোকার মতো, / মফসসল থেকে ছুট্টে আসে বাদুড়; / ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ছাতি, ছত্রাকের প্রাচীর মৌনস্থবির…
বুক ঠেলে উঠে আসা হতাশ্বাস আর বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণা রোনক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতায়।
কবিতা: দেখা হলে

ওর বিচার সভায় গেলে/আমি উপুড় করে দিতাম ধান-ভানা গান।/চোখ বন্ধ করে উড়িয়ে দেওয়াই যেত/নির্লজ্জ রাতের শরীর।/চর জাগা কামড়ের দাগ।
কবিতা: পঞ্চশীল

গাথা, বিস্মরণ, খেয়া, গ্রহণ ও দাহ — পাঁচটি কবিতার একত্র সহাবস্থান ‘পঞ্চশীল’ নামে। ছোট ছোট টুকরো মুহূর্তের মতো কবিতার উপলখণ্ড সাজিয়েছেন মহুয়া সেনগুপ্ত।