মফস্সলের থিয়েটার আর এক আশ্চর্য প্রাপ্তি

বাংলা থিয়েটারের দুনিয়া ঘিরে শুধু অভিনয়শিল্পী নয়, একাধিক বিরাট মাপের গুণী নাট্যকার, সংগীতকার, যন্ত্রসংগীতশিল্পী, কণ্ঠশিল্পীর সমাবেশ ঘটেছে শুরু থেকেই। এর পাশাপাশি গ্রুপ থিয়েটারে দেখা গেল অন্য স্রোত। সেখানে বাণিজ্যিক ভাবনার বাইরে এসে কিছু নাট্যপাগলের ঝাঁক নবীন স্বপ্ন নিয়ে গড়ে তুলতে লাগল একেকটি দল। যাঁরা প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কথা না ভেবে শুধুমাত্র থিয়েটার করার নেশায় আচ্ছন্ন ও প্রধানত প্রগতিবাদী চেতনাসম্পন্ন।
সার্কাস, ট্রেটর ও দ্রোহকাল: পর্ব ১১

মূলধারার সাহিত্য আগে বেস্টসেলার দিত। কিছু কিছু বই বহুকাল মুখে মুখে ফিরত আমাদের মা কাকিমাদের। বুদ্ধদেব গুহ থেকে নারায়ণ সান্যাল, আশাপূর্ণা দেবী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়— সকলেই আম-পাঠককে টেনে রাখতে পারতেন। এই সময়ে দাঁড়িয়ে মূলধারাও তা পারছে না। শেষ কোন বই দুপুরবেলা আমাদের মায়েরা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েছেন, তা খোঁজ করলে দেখা যাবে প্রায় সবকটাই ওই সুনীল, বুদ্ধদেব বা রমাপদ চৌধুরীর লেখা। তাঁদের অর্জন পরবর্তী লেখকদের অনায়ত্ত থেকেছে।
ক্যাম্পবস্তির বালকবেলা: পর্ব ১৭

‘রেডগার্ড’ বলার মধ্যে একটা ঘৃণা আছে৷ কমিউনিস্টদের ঘৃণা করেন৷ রাজনীতির লোকেরা এরকম করে থাকে৷ তবু, লোকটা তেমন মন্দ নয়৷ মাগনায় বিজয়া সম্মিলনে হেমন্ত, শ্যামল, সন্ধ্যা, মানবেন্দ্র, তরুণ, উৎপলা, ইলা বসু, সতীনাথের পুজোর নতুন গান, সিনেমার গান শোনার সুযোগ আর কে করে দেয় ভাই, এই গরিব তল্লাটে?
প্রবাসীর নকশা: পর্ব ৯

চুনী গোস্বামী এক বিরল প্রতিভা। জাকার্তায় এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সত্তরের দশকে বাংলার ক্রিকেট অধিনায়ক রূপে সেই সময়ের অপরাজেয় বোম্বাই দলকে ঘরের মাঠে প্রায় হারিয়ে দিয়েছিলেন। রীতিমতো ভালো টেনিস খেলতেন।
জীবন থেকে জীবনে: পর্ব ২২

গোটলা এবার আমাকে নিয়ে ক্যাম্পের লঙ্গরখানায় গেলেন। অন্তত কুড়িজন রাঁধুনি ক্যাম্পের রান্না সারছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা শংকরলাল ভট্টাচার্যের কলমে। পর্ব ২২।
সার্কাস, ট্রেটর ও দ্রোহকাল: পর্ব ১০

আমি রাজনীতির প্রত্যাশা করি না, কারণ ভিন্নধারার লেখালেখি যে একটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সে সত্য বহুদিন আমরা ভুলেছি। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কীভাবে একজন কমিটেড লেখককে হত্যা করা হচ্ছে সেটাকে যদি চিহ্নিত না করা যায়, তাহলে অন্যধারার লেখালেখির পরিণতি সেটাই হতে পারে, পঞ্চাশের দশক থেকে যা হয়ে এসেছে। কেরিয়ারের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গা গরম ভাষণ শুনিয়ে তারপর যেই বিগ হাউসে লেখার সুযোগ মিলবে, মাথা নীচু করে সেই কনভেনশনের খোঁয়াড়ে ঢুকে পড়া।
… শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের কলম
ক্যাম্পবস্তির বালকবেলা: পর্ব ১৬

‘কল্লোল’-এর গান ও সুর হেমাঙ্গ বিশ্বাসের রচনা৷ শেখর চট্টোপাধ্যায় স্মৃতিচারণায় লিখেছেন, অনন্যসাধারণ গান হেমাঙ্গ বিশ্বাসের— ‘বাজে ক্ষুব্ধ ঈশান কোণে বজ্র বিষাণ’৷ মহারাষ্ট্রের পোয়াজ আর লাউনি সুরে গান তৈরি করলেন তিনি৷ অসাধারণ সুরপ্রয়োগ৷ যেন মেহনতি মানুষের প্রাণের কথাকে সুরে তুলে ধরা৷ ব্যবহৃত হয়েছিল জার্মান, রুশ ও চিনা নৌবিদ্রোহের গান৷ সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সঙ্গীত৷
কবিতার সঙ্গে বসবাস: নাগরিক আত্মার কেন্দ্রস্থল

এই বিশেষ সন্ধ্যায় তিনি যে-বইটি থেকে কবিতা পড়লেন তার নাম ‘অটোরুট’— আগেই বলেছি। তার আগের বইটির নাম ‘কালকেতুর শহরে’। সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কবিতা নিয়ে আলোচনায় জয় গোস্বামী।